
সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে নির্বাচিত জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে আলোচনা সবার মুখে মুখে।
এ ছাড়া মন্ত্রী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের নাম নিয়েও আলোচনা আছে। তাঁর কর্মী-সমর্থকরা এ নিয়ে বেশ আশাবাদী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর মন্ত্রিত্ব দাবি জানিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়া হচ্ছে।
মুশফিকুর রহমান সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ছিলেন সাবেক সচিব ও বিশ্ব ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক। খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গেও তাঁর রয়েছে ভালো সম্পর্ক।
জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী।
দলটি বিএনপির সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচন করেছে। সেই হিসেবে তিনি মন্ত্রীর অন্যতম দাবিদার।
খালেদ হোসেন মাহবুব বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থনৈতিকবিষয়ক সম্পাদক। দলের দুঃসময়ে তিনি মাঠে ছিলেন।
এদিকে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনে নির্বাচিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে আসন ছাড়ার শর্তে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁকে যদি দল ভেড়ায় তাহলে মন্ত্রিসভার তালিকায় নাম থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যদিও রুমিন ফারহানা ভোটে জেতার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিএনপিতে তাঁর ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে মনোনয়নসংক্রান্ত বিষয়ে সমঝোতার জন্য আসন ছাড়ার শর্তে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মুনসুর মিশন বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করছি একজন বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে মুশফিকুর রহমান মন্ত্রী হবেন।
বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা এ বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হতে পেরেছি।’
Leave a Reply